বাংলাদেশে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা করার অপরাধে সম্প্রতি টেলিভিশনের কয়েকজন সাংবাদিককে অবৈধভাবে শোকজ করা হয়েছে এবং দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে মাহমুদ রাকিব, মুজাহিদ শুভ, আজহার লিমন ও বেলায়েত হোসাইন।
সংবাদমাধ্যম ও সমাজমাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ ও প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। স্বাধীনতা ও বাংলাদেশপন্থা ধারণ করে সাংবাদিকতা করা কি অপরাধ হতে পারে? বর্তমান পরিস্থিতি জনসাধারণকে ভাবাচ্ছে, দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার কি আজও নিরাপদ আছে?
সাংবাদিকদের উপর শোকজ – গণমাধ্যমে প্রভাব
সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে জনগণের সততা, স্বচ্ছতা এবং তথ্যপ্রমাণ পৌঁছে দিতে কাজ করে আসছেন। কিন্তু জুলাই আকাঙ্ক্ষা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে খবর প্রকাশ করায় তাদের বিরুদ্ধে শোকজ এবং দায়িত্ব থেকে বিরতি—এটি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নয়, পুরো মুক্ত সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম স্বাধীনতার উপর আঘাত।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ গণতান্ত্রিক মানদণ্ডকে ধ্বংস করতে পারে এবং সংবাদমাধ্যমকে স্লথ বা রাজনৈতিক প্রভাবিত করার পথ প্রশস্ত করে।
প্রশ্ন উঠেছে – বাংলাদেশ কি ফ্যাসিবাদে ফিরছে?
এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে:
-
বাংলাদেশে কি আবারও ফ্যাসিবাদ ফিরছে?
-
স্বাধীন সাংবাদিকতা কি এখন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
-
জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার কতটা সুরক্ষিত?
সাংবাদিক সংগঠন ও অধিকারকর্মীরা এই ঘটনা তীব্রভাবে নিন্দা জানিয়েছে এবং সরকারের কাছে দ্রুত সাংবাদিকদের উপর শোকজ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।
প্রতিবাদী সমাপ্তি
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা শুধু একজনের দায়িত্ব নয়, এটি গণতন্ত্র ও দেশের সার্বভৌমত্বের ভিত্তি। তাই জনগণ ও সাংবাদিক সমাজের উচিত এই ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ করা। জুলাই আকাঙ্ক্ষা ধারণ করা কি অপরাধ? না, এটি নাগরিকের অধিকার এবং দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অংশ।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন